সেন্টমার্টিন

কটেজের গেইট খুল্লেই নীল সমুদ্র। গেট থেকে বের হয়ে একটু বামে আসলেই বাশ দিয়ে তৈরি চা এর দোকান। যদিও কটেজ থেকে চা এর দোকাল ৩০ সেকেন্ডের পথ তাও এখানে যেতে বেগ পেতে হয়েছে।
ডিনার শেষ করে রাত ১০টার দিকে গিয়েছিলাম প্রচন্ড ঢেউ এর কারনে দোকানে যাওয়া যাচ্ছিল না। ঢেউ যখন একটু নিচে নেমে যায় তখন দৌড়ে দোকানে আসি। ঢেউ আসলে দোকানের ভিরত পানি ঢুকে যায়, সে জন্য রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। ছোট ছোট বালির বস্তা আছে চেয়ারে বসে বস্তার উপর পা রাখলে পা পানিতে ভিজবে না… যদিও চা এর স্বাদ ছিল জঘন্য তাও ৩ কাপ খেয়েছি। কফি টেষ্ট করে মনে হয়েছিল ভাতের মার খাচ্ছি কিন্তু তাও কেন জানি মনে হচ্ছিল এখানে বসে কাপ হাতে না থাকলে ভাল লাগবে না,…
কফির মগ নিয়ে বসে ছিলাম মধ্য রাত পর্যন্ত। আকাশে হাজারো তারা সমুদ্রের গর্জন , সময়টা কেন যেন তাড়াতাড়ি চলে যাচ্ছিল।
শাহাবুদ্দিন ভাই ডাব কিনলেন। আমার টা বড় দেখে নিয়েছিলাম তাই টেষ্ট পাইনি, উনাদের কাছে থেকে ভাগ নিয়েছিলাম স্বাদ ভালই ছিল। জয় ক্যামেরা নিয়ে এদিক ওদিক দৌছাচ্ছে। দোকানদার এর সাথে চলছিল রোহিংগা টপিক নিয়ে আলাপ আলোচনা…
তমা আর ঐশিও বসে গল্প শুনছে আর ডাব খাচ্ছে।
ঢেউ কমেছিল রাত ১২ টার দিকে তখন চেয়ারটা সামনে টেনে বসে ছিলাম। এমন সময় জ়য় ছবিটি তুলেছিল……।।
সোনালী স্মৃতি হয়ে থাকবে সময়গুলো।

Post Copied From:

Share:

Leave a Comment

Shares