সেন্ট্রাল পার্ক, নিউইয়র্ক

সেন্ট্রাল পার্ক যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি পরিদর্শিত নগর উদ্যান যা বিশ্বের অন্য পার্ক থেকে ব্যতিক্রম কারন এটি গড়ে উঠেছে কৃত্রিম ভাবে পরিকল্পিত পরিকল্পনা মাধ্যমে, হাজার হাজার বৃক্ষ লাগিয়ে আর লেক খনন করে এটি তৈরি করা হয়। এটি পৃথিবীর বৃহত্তম পার্কের মধ্যে অন্যতম ও আকর্ষণীয় পার্ক । পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ প্রকৃতি প্রেমিক এখানে ভিড় জমান পার্কটির সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য। উদ্যানটির জন্য ১৮৫৩ সালে ভূমি কেনা হয়েছিল , ১৮৫৭ সালে এই পার্কটি ৭৭৮ একর ( ৩১৫ হেক্টর) জমি অধিগ্রহণ করে প্রাথমিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

পরবর্তীতে “গ্রিনসওয়ার্ড প্ল্যান” শিরোনামের পরিকল্পনার সাথে পার্কটিকে উন্নত এবং প্রসারিত করার জন্য একটি নকশা প্রতিযোগিতা জিতে ভূপ্রাকৃতিক পরিকল্পনাবিদ ফ্রেডেরিক ল্য ওল্মস্টেড এবং স্থাপত্যবিদ ডিজাইনার ক্যালভার্ট ভক্স ৮৪৩-একরের একখন্ড ভুমিকে একটি আকর্ষণীয় পার্কে গড়তে তাদের কল্পনার, মেধা,আর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল স্বরূপ আজকের ত্রিমাত্রিক এই পার্ক, এর সংস্কার কাজ শুরু হয়েছিল ১৮৫৮ নির্মাণের একই বছর সালের শীতকালে জনসাধারণের জন্য খোলা হয়েছিল। ১৯৬৩ সালে মার্কিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উদ্যানটিকে “জাতীয় ঐতিহাসিক স্থাপনা” উপাধিতে ভূষিত করে যা এপ্রিল ২০১৭ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলির তালিকায় রাখে।

পার্কটি নিউইয়র্কের জিরো পয়েন্ট কলম্বাস সার্কলের উত্তর পূর্ব প্রান্তে যেটি নিউ ইয়র্ক সিটিতে ম্যানহাটন শহরের কেন্দ্রের ডানদিকে অবস্থিত। পার্কের পাশেই কয়েকটি মেট্রো স্টেশন এছাড়াও আপনি পেন স্টেশন বা গ্র্যান্ড সেন্ট্র্যাল স্টেশন থেকে বাসে করে সহজে আসতে পারবেন এই পার্কে । শহরের প্রানকেন্দ্রে বিরাট এলাকা জুড়ে সবুজের সমারোহ লেক বিনোদনের আধুনিক ব্যবস্থা সম্বলিত এমন একটা পার্ক যার জন্য নিউইয়র্ক বাসী সত্যিই গর্ব করতে পারে। উদ্যানটি উত্তর প্রান্তে ৫৯-তম সরণী থেকে ১১০-তম সরণী পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে এবং পূর্ব প্রান্তে ৫-তম আ্যভিনিউ থেকে সেন্ট্রাল পার্কের পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

প্রতি বছর এখানে প্রায় ৪ কোটি লোক বেড়াতে আসেন। এখানে বহুসংখ্যক মার্কিন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ও টিভি সিরিয়াল ও বিদেশী চলচ্চিত্রের দৃশ্যধারণ করা হয়েছে এই পার্কে । বর্তমানে সেন্ট্রাল পার্ক কনজার্ভেন্সি নামের অলাভজনক একটি বেসরকারী-সরকারী যৌথ প্রকল্প উদ্যানটির দেখাশোনা করে, যার পেছনে বাৎসরিক ৬ কোটি ৫০ লক্ষ মার্কিন ডলার ব্যয় হয়।
পার্কটি কয়েকটি ভাগে বিভক্ত। এর বিভিন্ন স্থানে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন ২৯ টি ভাস্কর্য ফাউন্টেন সহ ৪৮ মনুমেন্ট রয়েছে পঁচিশ হাজার অধিক গাছ।

আমি আর বাবুদা সেন্ট্রাল পার্কের পাশে অবস্থিত মেট্রো স্টেশনে নেমে মাঝখানে বরাবর প্রবেশ পথ দিয়ে প্রবেশ করলাম এখানে ২০টি গেইট রয়েছে এখানে প্রবেশ মূল্য ফ্রি অ্যামিউজমেন্ট পার্কে প্রবেশসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা অর্থ প্রধান করতে হয়। বাবুদা বেশ প্রানশক্তি সমৃদ্ধ, লম্বা পথ হেঁটে পাড়ি দেবার জন্য জুড়ি মেলা ভার, পার্কের আকর্ষণীয় সব জায়গা সম্বন্ধে তাঁর জ্ঞান ছিল। পার্কে রয়েছে ৬. ১ মাইল দীর্ঘ রাস্তা যেখানে রানিং, সাইকিং, রোলার স্কেটিয়ের, জন্য আদর্শ এবং যা আপনার অহরহ চোখে পড়বে তবে ঘোড়ার গাড়ি, সাইকেল রাইড, রিকশা করে নিদিষ্ট ভাড়া গুনে পুরো পার্কে ঘুরা দেখা যায় কিন্তু আমরা পায়ে হেঁটে পার্ক দেখতে সিদ্ধান্ত নিলামএই পার্কটি কয়েকটি ভাগে বিভক্ত এবং এর এক একটির আকর্ষণীয় নাম এবং এর পিছনে একটি ইতিহাস রয়েছে। এখানে ২০টি গেইট রয়েছে এদের ও আলাদা আলাদা নাম রয়েছে। এখানে রয়েছে কয়েকটি নির্জন প্রকৃতির খুব কাছে থেকে অনুভব করার মত জায়গা। এসব জায়গা একেক ঋতুতে, একেক রকম সাজে সজ্জিত হয়।

শেক্সপীয়ার গার্ডেন (শেক্সপীয়ার উদ্যান), শেক্সপীয়ারের নিজস্ব ব্যক্তিগত বাগানে বৈশিষ্ট্যযুক্ত শেক্সপীয়ার গার্ডেন সেন্ট্রাল পার্কের বিশ্রামের বিকেলের জন্য নিখুঁত জায়গা তার শান্ত এবং রোমান্টিক পরিবেশের কারণে, গার্ডেন বিবাহের জন্য একটি জনপ্রিয় স্থান।

স্ট্রবেরি ফিল্ডস :
৯ অক্টোবর, ১৯৮৫ তারিখে বিটলের গায়ক, গান লেখক, সঙ্গীতজ্ঞ এবং শান্তি কর্মী জন লেননের ৪৫তম জন্মদিনে নিউইয়র্ক সিটি তার স্মৃতিতে ২.৫ একর জমিতে গড়ে তুলে । ৭১তম এবং ৭৪ তম রাস্তার মধ্যে সেন্ট্রাল পার্ক ওয়েস্টের কাছাকাছি অবস্থিত, যা বিটলসের গানের “স্ট্রবেরি ফিল্ডস চিরকালের” শিরোনাম অনুসারে নামকরণ করা হয়েছে শান্তির উদ্যান হিসেবে স্ট্রবেরি ফিল্ডকে বিবেচনা করা হয়। এখানের আইকন ” IMAGINE” কালো এবং সাদা কল্পনা মোজাইক ইতালীয় শহর নেপলস থেকে আগত শিল্পীদের একটি দল দ্বারা ডিজাইন করা হয়েছিল। জন লেননের আরেকটি বিখ্যাত গানে অনুসারে করা হয়েছে, ”IMAGINE”
“কল্পনা করুন”, এর থেকে একটি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে, দ্বন্দ্ব, যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ, ছাড়া বিশ্বের কল্পনা করে তৈরি করা হয়।

Cop cot
আরো রয়েছে (কোপ খাট) কাঠের কাঠামোর তৈরি দৃষ্টিনন্দন বসার জায়গা এখানে কিছু সময় আরাম করলে মন্দ হবে না।
বিশেষ আকর্ষণ হচ্ছে শিপ মেডো, যা সান বাথের জন্য আদর্শ জায়গা ছুটির দিনে সামারে এখানে প্রচুর ভীড় থাকে । সবুজের ঘাসে মোড়ানো গালিছা সজ্জিত মাঠ মাঠের শেষে বৃক্ষরাজী ফাঁকে সুউচ্চ অট্টালিকা অনেকের কাছে প্রিয় একটি স্থান এটা।

পার্কে রয়েছে আকর্ষণীয় কনসার্ভেটোরি গার্ডেন, ছয় একর জমির উপর তিনটি অংশে বিভক্ত ফরাসি, ইটালি, ইংলিশ, নামে তৈরি দৃষ্টিনন্দন জায়গা যা একটি থেকে অন্যটি ব্যতিক্রম খুব সুন্দর ভাবে সাজানো যা এক দেখাতেই আপনাকে মুগ্ধ করবে এটি ভেন্ডার ভিল গেইটের প্রবেশ পথে অবস্থিত ।

সেন্ট্রাল দ্যা মল, পার্কের মধ্য দিয়ে ৬৬তম থেকে ৭২তম রাস্তায় বেথেসদা টেরেসের দিকে একটি সুন্দর় ওয়াকওয়ে, এখানে বিরাট বিরাট বৃক্ষের ছায়া তলে হাঁটার মজাই আলাদা। অনেকে লাইভ বিনোদন দেবার জন্য বিভিন্ন ক্লাউন সহ দর্শক আকৃষ্ট করার জন্য অনেকের দেখা মেলে এখানে এদের মধ্যে বাবল মেকার অন্যতম। মলের দক্ষিণ প্রান্তে লিটারারি ওয়াক, উইলিয়াম শেক্সপিয়ার, স্যার ওয়াল্টার স্কট এবং রবার্ট বার্নসের মতো অন্যান্য বিখ্যাত সাহিত্যিকদের মূর্তি রয়েছে।

বেথেসদা ফাউন্টেন পার্কের প্রাণ কেন্দ্র হিসাবে বিবেচনা করা হয় পুরো এলাকা খুব সুন্দর এখানে এঞ্জেলের (দেব- দূত) ব্রোঞ্জের তৈরি ভাস্কর্য রয়েছে যা আট ফুট উঁচু । গোলাকার এই ফোয়ারার চত্বর বেশ প্রশস্ত পাশেই লেক, ভাড়ায় বোটহাউস থেকে রোয়িং বোটে করে লেকে ঘুরা যায়, পানিতে হংসের উপস্থিতিতে আরো দৃষ্টিনন্দন লাগছিল। পাশেই বোটহাউস ক্যাফে বসে কিছু খাওয়া এবং লেকের সৌন্দর্য উপভোগ করে দারুণ সময় পার হবে আমি গ্যারান্টি দিতে পারি এখানে থেকে বামে অল্প কতদূর হেঁটে পৌছালাম বো বিজ্রের পাশে গেলাম। পার্কে সব মিলিয়ে ৩৬ ব্রিজ আছে এর মধ্যে বো ব্রিজ সবচেয়ে বড় দীর্ঘ এবং সুন্দর এখানে গাছপালায় যেন শিল্পীর তুলিতে আঁচড় বুলিয়ে গেছে বর্ণীল রঙে গাছপালা সেজেছে চমত্কার দেখাচ্ছিল ব্রিজটা এবং এই জায়গাটা আমার সবচাইতে বেশি আকর্ষণীয় মনে হয়েছে।

পার্কের আরেক আকর্ষণ হলদ্যা রাম্বেল পাহাড়ের শিলা লিপি আর কাটের ব্যবহারে তৈরি দৃষ্টিনন্দন হাঁটার রাস্তা কৃত্রিম ভাবে তৈরি এটি পার্কের দক্ষিন প্রান্তের মধ্যেভাগে অবস্থিত । পার্কের কয়েকটি জায়গায় দেখা মিলে বড় বড় পাথুরে খণ্ড। ম্যানহাটনের চারটি ভিন্ন ধরনের বেডরক রয়েছে সেন্ট্রাল পার্কে। উঁচু নিচু পথ, সংযোগ সেতু সব জায়গায় সুরুচি বোধের ছোঁয়া যা বেশ আকষনীয়। পার্কের দক্ষিণ প্রান্তের কাছে রয়েছে র‍্যাট রক যা রক ক্লাইমবারদের বেশ আকর্ষিত করে।

এক পার্কের অনন্য স্থাপত্য শৈলি হল বেলভেডেয়ার ক্যাস্টেলযা ১৮৬৯ সালে তৈরি করা হয় দৃষ্টিনন্দন একটি স্থাপনা। এই বেলভেদেয়ার কাসল এর উপর থেকে দেখা মিলবে ডেলাকোর্ট থিয়েটার , টার্টেল পন্ডের সৌন্দর্য এবং গ্রেট লনের সবুজে আচ্ছাদিত চোখ জুড়ানো মাঠের দৃশ্য সত্যিই অসাধারণ এক দৃশ্য যা সবার দৃষ্টি আকর্ষীত হবে।
বেলভেডেয়ার ক্যাস্টেলে আর একটি আকর্ষণ হল জল প্রদর্শনী।

সেন্ট্রাল পার্কে ছোট বড় সবমিলিয়ে সাতটি জলাধার রয়েছে , সব কৃত্রিম ভাবে খনন করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় জলাধার হল জ্যাকলিন কেনেডি ওনাসিস রিজার্ভর । এটি ১৮৫৮ থেকে ১৮৬২ সালে নির্মিত হয়েছিল। ৮৬তম এবং ৯৬ তম রাস্তার মধ্যে ১০৬ একর (43 হেক্টর) এলাকা জুড়ে রয়েছে
এই জলাধার। চারিদিকে সুন্দর হাঁটার সুন্দর রাস্তা সারিতে চেরি গাছ অনেকেই জগিং করছে দৌড়াচ্ছে, পানির মাঝখানে একটা দৃষ্টিনন্দন ফোয়ারা উচ্চ বেগে নীচে থেকে উপর দিকে ধাবিত হচ্ছে আবার নিচে আঁচড়ে পড়ছে যা সত্যিই মনমুগ্ধ ।

আর একটি সুন্দর জলাধার হচ্ছে কনজারভেটিভ ওয়াটার এর পাশেই মনোমুগ্ধকর এলিসের একটি সুন্দর ভাস্কর্য এগারো ফুট উঁচু বোঞ্জের ভাস্কর্য। এলিস ইন দ্যা ওয়াল্ডল্যান্ড ৭৪ স্ট্রিট আর এর পাশেই অবস্থিত , এর শান্ত পরিবেশ এবং পানিতে হাঁসের উপস্থিতিতে আর পাশে কার্বস বোথাউজের বাইরে কিয়স্ক থেকে নৌকা ভাড়া প্লেসেন্ট্রাল পার্ক কনসারভেটিরি ওয়াটার নেভিগেশন সেলিং মডেলের রিমোট চালিত নৌকা চালনা অনেকের প্রিয় ।

এই পার্কেই রয়েছে সেনড বলিবল, টেনিস কোর্ট, সফট বলিবল কোর্ট, বেইসবল কোর্ট সহ ২১খেলার মাঠ আর ৭৬তম রাস্তার কাছে পঞ্চম অ্যাভিনিউতে চিলড্রেন গেটে প্রবেশ করলে সেখানে একটি খেলার মাঠ রয়েছে শিশুদের জন্য বিনোদনের জন্য বেশ কিছু স্থান রয়েছে, পার্কের দক্ষিন পূর্বে সেন্ট্রাল পার্ক চিড়িয়াখানা অবস্থি, যা সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত খোলা থাকে আছে সেন্ট্রাল পার্ক কেরৌসেল, সেই সাথে সামারে খোলা হয় অ্যামিউজমেন্ট পার্ক ভিক্টোরিয়ান গার্ডেনস। শীতে এই অ্যামিউজমেন্ট পার্কটি বন্ধ থাকে। ভিক্টোরিয়ান গার্ডেনস একটি ঋতু ঐতিহ্যবাহী-শৈলী বিনোদন পার্ক , যা নিউ ইয়র্ক সিটির ম্যানহাটানের সেন্ট্রাল পার্কের ওলম্যান রিঙ্কে অবস্থিত।

নিউ ইয়র্ক সিটির মধ্যে সেন্ট্র্যাল পার্ক তার দর্শকদের জন্য বৈচিত্রপূর্ণ আয়োজন করে থাকে। পার্কটিতে বিভিন্ন মৌসুমি আয়োজন রয়েছে। সেগুলিতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সঙ্গীতানুষ্ঠান, শিক্ষাগত ভ্রমণ থেকে শুরু করে সিজনাল বেশ কিছু আয়োজন রয়েছে। বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি চর্চার অনন্য একটি স্থান এটি। এখানে গ্রীষ্মকালীন মঞ্চ অনুষ্ঠান, নিউ ইয়র্ক অপেরা কার্যক্রম, এলটন জনের দ্বারা সঙ্গীতানুষ্ঠান, পল সিম্পশন সহ অন্যান্য বিশ্ব বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পীদের পরিবেশনা থাকে। পাবলিক থিয়েটারে বিনামূল্যে
ওপেন এয়ার থিয়েটার প্রযোজনাগুলি উপস্থাপন করে, যা বেশিরভাগ সুপরিচিত পর্যায়ে এবং পর্দা অভিনেতাগুলিকে অভিনয় করে।
ডেলাকোর্ট থিয়েটার উদ্যানটিতে শেক্সপীয়ারের এক অনন্য প্রদর্শনী প্রদর্শিত হয়, । মেট্রোপলিটন অপেরা প্রতি বছর কনসার্টে দুটি অপেরা উপস্থাপন করে পঞ্চম অ্যাভিনিউ ৮০ তম এবং ৬০ তম রাস্তার মাঝামাঝি পার্কে পূর্বের পাশে অবস্থিত।

এছাড়াও মেট্রোপলিটান মিউজিয়াম অফ আর্ট পার্কে রয়েছে, ফিফথ এভিনিউর মুখোমুখি। রয়েছে বেশ কয়েকটি উন্নতমানের রেস্টুরেন্ট এবং নিরাপত্তার জন্য রয়েছে একটি পুলিশ স্টেশন ।
আসলে পুরো পার্ক একদিন এক সময়ে ঘুরা এবং এর সৌন্দর্য উপভোগ করা সম্ভব নয় কারন এক ঋতুতে এক এক রকম সৌন্দর্যের ঢালি নিয়ে হাজির হয়, তাই আবারও যাবার ইচ্ছে নিয়ে আশায় রইলাম।

Share:

Leave a Comment

Shares
error: Content is protected !! --vromonkari.com