শরতের সাজেকের ভ্রমণ গল্প

শরতের সাজেক আর শীতের সাজেকের মাঝে রয়েছে বিস্তর ফারাক!!
মেঘ যে আসলেই ধরা যায় সেটা শরতের সাজেকে না গেলে বলে বোঝানোর উপায় নেই। 😄

আমি এর আগে শীতের সিজনে গিয়েছিলাম তখন খুব আফসোস নিয়ে ফিরে আসতে হয়েছে৷ মেঘ এবং সবুজ দুইটার কোনটাই পাইনি তখন। তখনো মেঘ মাচাং কটেজে ছিলাম এবারো মেঘমাচাং এই ছিলা।।

জাক আসল কথায় আসি, চান্দের গাড়ি দিয়ে সাজেক পৌছেই চলে যাই কটেজে। বারান্দায় ঢুকতেই যেন চোখ জুড়িয়ে গেলো। সবুজ পাহাড়ের উপর মেঘের শুয়ে থাকা আর বারান্দায় বসে সেটা উপভোগ করার মজাই আলাদা। কটেজে ধুকেই চোখ জুড়িয়ে গেলো। দুচোখ ভরে সাড়ি সাড়ি পাহারের উপর মেঘ এবং সবুজের খেলা দেখতে দেখতে ডাক পরে গেলো দুপুরের খাবার খাওয়ার। চলে গেলাম মারুতি দিদির রেস্তোরাঁয়। আবার ফিরে এসে বারান্দায় মেঘ দেখতে দেখতে হঠাৎ মেঘ গুলো বৃষ্টিতে রুপান্তর হয়ে পরা শুরু করে দিলো, বাস আর কি বসে থাকা জায়। বারান্দায় দারিয়ে দারিয়ে বৃষ্টিতে ভেজার মজাটা জে কি সেটা বলে বুঝানো সম্ভব নাহ। বৃষ্টি কমে জাওয়ার সাথে সাথে সাজেক জেনো নতুন আরেক রুপ ধারন করলো।। সবুজ পাহারের উপর মেঘ এবং রংধনু নিয়ে হাজির।

তো আমরা সেদিন রাত ছিলাম মেঘ মাচাং পরের রাত,ছিলাম ঝুম ঘরে। তারপর সাজেক থেকে লংগদু হয়ে কাপ্তাই লেক এবং রাংগামাটি হয়ে ঢাকা চলে আসি। কাপ্তাই লেকের সৌন্দর্য নিয়ে আরেকদিন বলবো।। সে জেনো,আরেক স্বর্গ।

পরিশেষে একটা কথাই বলব –

প্রাকৃতিক পরিবেশের সৌন্দর্য রক্ষার্থে আসুন আমরা সবাই মিলে সচেতনতা গড়ে তুলি। ময়লা আবর্জনা যথাস্থানে ফেলি। যেখানে সেখানে ময়লা ফেলা থেকে বিরত থাকি। কারণ এগুলো আমাদেরই সম্পদ। 😃

হ্যাপি ট্রাভেলিং।।।

Source: Omar Faruk Ripon‎<Travelers of Bangladesh (ToB)

 

Share:

Leave a Comment