মাওয়া ফেরি ঘাট

যারা পদ্মার তাজা ইলিশ খেতে মাওয়া ফেরি ঘাটে ঢু মারার প্ল্যান করছেন তাদের বলছি। মাওয়া ফেরি ঘাটেই ত বসার সুন্দর জায়গা আছে, আর বড় বড় ঢেউ ত আছেই, সাথে নানান কিসিমের মানুষের আনাগোনা। রেসটুরেন্ট গুলোতে বিশাল বিশাল সব পাঙ্গাশ মাছের পেটি পাবেন ।।নদীর বাতাস খেতে খেতে পাঙ্গাশ আর ইলিশ খাওয়ার এক অপার্থিব

আন্ধারমানিক বেড়িবাধ পদ্মার পাড়

strong>কিভাবে যাবেন: ঢাকার গাবতলি বাস টার্মিনাল থেকে ঝিটকাগামী ভিলেজ লাইন বাসে ঝিটকা হরিরামপুর মোড়ে নামবেন। ভাড়া নেবে ৯০-১০০ টাকা। ঝিটকা নেমে বাজারের পাশে ঝিটকা মাঠের সামনে ব্রিজের উপর থেকে অটো বা সিএনজিতে আন্ধারমানিক বেড়িবাধ বললেই নিয়ে যাবে। জনপ্রতি ভাড়া ৫০টাকা করে পড়বে। এছাড়া গাবতলি থেকে শুকতারা পরিবহনে সিংগাইর-হরিরামপুর হয়েও যাওয়া যায়, তবে

ভৈরব ব্রীজ

যে সেতু দিয়ে মেঘের বাড়ি যাওয়া যায়।। নরসিংদী শহরের কাছাকাছি ড্রিম হলিডে পার্ক আছে এবং স্থানীয় কিছু উদ্যান আর পিকনিক স্পট রয়েছে... ভৈরবে মেঘনা নদীর ঘাট পাবেন, ভৈবর ব্রীজ আছে তাছাড়া রেল লাইন ও দর্শনীয়।। বিকাল কাটানোর জন্য চমৎকার একটা যায়গা।একদিনে যাওয়া-আসা সম্ভব। যেভাবে যাবেন: ঢাকা থেকে ভৈরব/ব্রাহ্মনবাড়িয়া/সিলেটগামী যেকোন বাসে ভৈরব নেমে

সোনাকান্দা দুর্গ

এটি একটি মোঘল জলদুর্গ। দুর্গটি নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকার শীতলক্ষা নদীর পূর্বতীরে অবস্থিত। মোঘল আমলে কিছু জলদুর্গ নির্মাণ করা হয়েছিল ঢাকার পানিপথকে সুরক্ষিত করার জন্য। সোনাকান্দা দুর্গ তাদের মধ্যে একটি। এটি ১৭ শতকের মাঝামাঝি সময়ে নির্মিত। কিভাবে যাবেনঃ বাস থেকে নারায়ণগঞ্জ টার্মিনালে নেমে নৌকায় শীতলক্ষ্যা নদী পার হয়ে রিকশাচালককে বললেই নিয়ে যাবে সোনাকান্দা

পানাম নগর

‎যাতায়াত‬: গুলিস্তান স্ট্যাডিয়ামের পাশ থেকে দোয়েল/স্বদেশ/বোরাক গাড়িতে করে মোগড়াপাড়া। ভাড়া ৪৫/৫০ টাকা। মোগড়াপাড়া হতে রিক্সায় পানাম নগর। ভাড়া ২০/২৫ টাকা। এখানে আরও ঘুরতে পারেন লোক ও কারুশিল্প যাদুঘর,গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ এর মাজার, গোয়ালদী শাহী মসজিদ ইত্যাদি। বুধবার ও বৃহঃস্পতিবার বন্ধ থাকে

ইন্দোনেশিয়া ট্যুর

মাত্র ইন্দোনেশিয়া ঘুরে আসলাম। বাংলাদেশি পাসপোর্টের জন্য ভিসা ফ্রি, দেনপাসার এয়ারপোর্টে নেমে ডান দিক থেকে বাম দিক ভালমত তাকানোর আগেই সিল পরে যায়। সর্বোচ্চ এক মিনিট সময় লাগে। কোন ভিসা ফি লাগে না, কোন ডকুমেন্টও লাগে না। এয়ারপোর্টে ডলার যত কম ভাঙ্গানো যায়, তত ভাল। এয়ারপোর্টে মিনিমাম ২০০ রুপিয়া কম হয় রেট।

হোটেলের ভাড়া ও ফোন নম্বর

একসাথে কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, বান্দরবান এবং সিলেটের হোটেলের ভাড়া ও ফোন নম্বরের তালিকাঃ ছুটি পেলে আমাদের দেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি যে তিনটি জেলায় ঘুরতে যায় তার প্রত্যেক জায়গার বেশ কিছু হোটেলের ভাড়া এবং ফোন নম্বর দেয়া হল, যারা ঘুরতে পছন্দ করেন তারা নিজের সংগ্রহে রাখতে পারেন, পরে কাজে দিবে । বান্দরবানঃ ১.হোটেল হিল

সিলেট এবং পর্যটন স্পট

‪সিলেট শহর থেকে বিভিন্ন পর্যটন স্পটে সহজে এবং কম খরচে যাওয়ায় উপায়ঃ‬ ‪#‎সিলেট থেকে জাফলংঃ‬-‬ ★ সিলেট শহর থেকে জাফলং এর দূরত্ব প্রায় ৬০ কি.মি, যেতে সময় লাগবে প্রায় ২ ঘন্টা। পুরো সিলেটের মধ্যে শুধুমাত্র জাফলং যাওয়ায় রাস্তাটাই ভালো। অন্যসব রাস্তা ভয়াবহ রকমের খারাপ। অবশ্য জাফলং রোড তামাবিল পর্যন্ত ভাল, এরপর বলতে

প্রাকৃতিক নৈসর্গের আরেক রূপ ‘লোভাছড়া’

সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় সীমান্তের বড় বড় পাহাড় ছুঁয়ে নেমেছে ঝর্ণা। চারদিকে সবুজ বেষ্টিত চা বাগান, সারি সারি গাছ, পাহাড় আর বালু সমৃদ্ধ স্বচ্ছ পানির বহমান নদী। অনেকটা লোকচক্ষুর আড়ালে প্রাকৃতিক নৈসর্গের আরেক রূপ। নাম ‘লোভাছড়া’। যেভাবে যাওয়া যাবে লোভাছড়ায় : সিলেট শহর থেকে তিনটি সড়কে কানাইঘাট সদরে পৌঁছার সুযোগ আছে। বাস অথবা

error: Content is protected !! --vromonkari.com