নাফাখুম এ্যাডবেঞ্চার

বান্দরবান থেকে নীলগিরি হয়ে থানচি- আলিকদম বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু রাস্তা। যতদূর চোখ যায় চার পাশে পাহাড়ের সারি, আর মাঝখান দিয়ে মেঘে মোড়ানো রাস্তা দিয়ে চলবে গাড়ি। এ যেন অপার্থিব এক অনুভূতি। থানচি পৌছেতে একটু দেরি হয়ে গিয়েছিলো আমাদের। তাই তাড়াতাড়ি কিছু খেয়ে, লোকাল থানায় এ্যান্ট্রি করে রওনা দিলাম থানচি থেকে রেমাক্রির উদ্দেশ্যে।

পেলিং এর পাহাড়ি পথে

ফুট ওভার ব্রিজ থেকেই সিকিমের ট্যাক্সি স্ট্যান্ডটা দেখতে পাচ্ছিলাম। ঝটপট নেমে গেলাম পথের বাঁকে বাঁকে। কিন্তু নেমে গেলাম তো গেলাম গিয়ে আর সঠিক স্ট্যান্ড কোনটা সেটা খুঁজে পাইনা, যেখান থেকে পেলিং যাওয়ার জীপ পাওয়া যাবে। কারন নেমে যেতে যেতেই আমি পথ গুলিয়ে অন্য জীপ স্ট্যান্ডে চলে গিয়েছি। কিন্তু কিভাবে সেটা সম্ভব? একটাই

হাতে ২ ঘন্টা সময় নিয়ে ঘুরে আসুন রোজ গার্ডেন

হাতে ২ ঘন্টা সময় আর ১৫০/২০০ টাকা থাকলে আপনিও ঘুরে আসতে পারেন মুগ্ধকর এই বাড়িটা থেকে। অনেকেই সময় আর বাজেটের কারণে দূরে কোথাও যেতে পারেন না, তাদের জন্য বেষ্ট চয়েজ হতে পারে এই রাজবাড়ি। এর সৌন্দর্য আপনাকে মুগ্ধ করতে বাধ্য। অবস্থান : টিকাটুলি, ঢাকা। যেভাবে যাবেন: দেশের যে কোন স্থান থেকে প্রথমে

সেন্টমার্টিন এবং ট্রলার ভ্রমন

অনেক দিন থেকেই ইচ্ছা ছিলো অফ সিজনে ট্রলার এ করে নারিকেল জিঞ্জিরা যাব। প্লান করার সময় অনেক জন থাকলেও শেষে আইসা লোক সংখ্যা ব্যাস্তানুপাতিক হারে কমতে থাকে। আমার এই ট্যুরের বেলায় ও তাই হয়েছে।শনিবার রাতে শ্যামলী বাস এ করে টেকনাফ এর উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। সকাল ৭ টাই উখিয়া পৌছে যায়৷ আমাদের টিকট

কাঞ্চনজঙ্ঘা ভ্রমণ ট্রান্সপোর্ট

সকাল ৮.১৫ তে চিলাহাটি নেমে লোকাল ট্রান্সপোর্ট নিয়ে পঞ্চগড় পৌঁছাই। তারপর পূর্ব নির্ধারিত পাগলুতে ( cng এর লোকাল নাম) করে বাংলাবান্দা (ওপারে ফুলবাড়ি) বর্ডারে গিয়ে নামি বেলা ১২ টার দিকে। বর্ডারের ঝামেলা শেষ করে ওপাস থেকে জিপে করে শিলিগুড়িতে পৌছুতে বেজে গেল বেলা ২ টার কিছু বেশি। সেখান থেকে জিপ নিয়ে রওনা

সিকিমের সন্ধ্যায় মিশ্র অনুভূতি

একটু রাগ, কিছু মান-অভিমান, অল্প ভুল বোঝাবুঝি, এইসব ছাড়া আসলে ভালবাসাটা ঠিক জমে না কেন যেন? যে কারনে একদম মুক্ত হয়ে, অফিস আর বাসা দুই যায়গা থেকেই আন্তরিক ছুটি পাওয়ার কারনেই মনে হয় গ্যাংটক পৌঁছে, হোটেলে চেক ইন করে আমার অদ্ভুত অনুভূতি হতে শুরু করলো। পুরো এমজি মার্গের ঝলমলে সবকিছু, বিশাল হোটেল

পৃথিবীর অন্যতম একটি সুন্দর গ্রাম হালস্টাট

বছর দুয়েক ধরে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরে বসবাস করছি । অনেক দিন থেকেই পরিকল্পনা ছিল ইউরোপের অন্যতম ক্রেজ যাকে বলা চলে, অনেকের বর্ণনায় পৃথিবীর অন্যতম সুন্দর গ্রাম হালস্টাট যাব। আমাকে দেশ থেকে বন্ধুরা প্রায়শ প্রশ্ন করতো অথবা হালস্টাটের বেশ সুন্দর সুন্দর ছবিতে ম্যানশন করে প্রশ্ন করতো কবে যাব !! অবশেষে আমারও সুযোগ হল

শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং

বুঝি বাতাসে তার মধুর ছোঁয়া পাই..”(বাকিটুকু মনে মনে গুণগুনিয়ে গাইতে ভালোবাসি আমি) শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং যেতে শুকনা পেরিয়ে যখন দুটি পথ মিরিক আর দার্জিলিং দিকে ভাগ হয়ে যায়, সেই সময়ে দূরে আকাশের সাথে মিশে যাওয়া সবুজ পাহাড়ের বিশাল ছাঁদে চোখ পড়লে অথবা শিলিগুড়ি থেকে কালিম্পং যেতে সেভক রোড শেষ করে যেই না

চায়ের আঁতুড়ঘরের রিসোর্ট ভ্রমণ

ছুটির দিনে চায়ের কাপ হাতে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার কতই না নাম ঠিক করা হয়। কাপের পর কাপ আসতে থাকে। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছেন, এই ছোট্ট চায়ের কাপের মধ্যেই লুকিয়ে আছে ভ্রমণের হাতছানি? তবে চলুন ঘুরে আসি চায়ের আঁতুড়ঘরে। সৌরিন টি-এস্টেটে। আসলে ঘুরতে যাওয়ার কথা মনে পড়লেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে পাহাড়,

পানাম নগর, সোনারগাঁও

নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁতে অবস্থিত একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন শহর পানাম নগর। বড় নগর, খাস নগর, পানাম নগর - প্রাচীন সোনারগাঁর এই তিন নগরের মধ্যে পানাম ছিলো সবচেয়ে আকর্ষণীয়। এখানে কয়েক শতাব্দী পুরনো অনেক ভবন রয়েছে, যা বাংলার বার ভূইয়াঁদের ইতিহাসের সাথে সম্পর্কিত। সোনারগাঁর ২০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে এই নগরী গড়ে ওঠে। পৃথিবীর ১০০টি ধ্বংসপ্রায়

error: Content is protected !! --vromonkari.com