গোল্ডেন টেম্পল(অমৃতসর,পাঞ্জাব)

গোল্ডেন টেম্পল শিখ ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রধান মন্দির। এর আসল নাম হল "শ্রী হরমন্দির সাহিব" - মানে হল ঈশ্বরের ঘর। এটাকে গুরুদয়ারও বলা হয়। শিখ ধর্মে বিশ্বাস করা হয় যে দুনিয়ার সবাই সমান। ধনী, গরিব, শিক্ষিত, অশিক্ষিত, ধর্ম-কর্ম করা না করা লোক, সবাই-ই সমান। এইটাই মূলনীতি। টেম্পলে একটা লংগরখানা আছে, যেখানে দিন রাত

মেরিন ড্রাইভের পাশে বীচে ক্যাম্পিং মাত্র ২৩০০ টাকার

ঢাকা টু কক্স - ৮০০+৮০০=১৬০০ টাকা (যাওয়া আসা) ক্যাম্পিং এর জন্য আমার পছন্দের জায়গা ৪৫ কিলো দূরে শামলাপুর। কক্স টু শামলাপুর ৮০+৮০=১৬০ (যাওয়া আসা) ২ বেলা সকালের নাস্তা: ৫০+৫০=১০০ ৩ বেলা মূল খাবার: ১৩০+১৩০+১৩০= ৩৯০ খাবারের জন্য শামলাপুর বাজারে হোটেল আছে, বীচের পাশেও একটা হোটেল আছে! ১২০ টাকায় ভালভাবেই খাওয়া দাওয়া করা

বান্দরবন ভ্রমন

ভ্রমনের তারিখ : ১৬/১১/২০১৭-২০/১১/২০১৭ আমরা রাতের বেলা ১০.৩০ বাজে কল্যানপুর থেকে যাত্রা শুরু করি! ভোর ৬.৩০ বান্দরবন সদরে পৌছে যাই। নাস্তা সেরে ৯ টা বাজে চান্দের গাড়িতে যাত্রা শুরু করি। যাওয়ার পথে পাহাড়ি রাস্তাগুলো যেন স্বপ্নেরমত! যখন চিম্বুক পাহাড়ে উঠতে শুরু করি তখন মনে শুধু বিস্ময় 😨 আর কত উপরে উঠবো! 😱 যাওয়ার সময় সাদা

নিঝুমদ্বীপে ক্যাম্পিং

যাবার উপায়ঃ ০১# বাসে করে নোয়াখালী হয়ে নিঝুমদ্বীপঃ বাসে করে গেলে নোয়াখালীর সোনাপুর পর্যন্ত যেতে হবে । হিমাচল এক্সপ্রেস, একুশে এক্সপ্রেস, মুনলাইন এন্টারপ্রাইজ এর বাস নোয়াখালীর সোনাপুর পর্যন্ত যায় । প্রতিদিন মোটামুটি সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যায় সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে নোয়াখালী সোনাপুর এর বাস ছেড়ে যায় । আবার ধানমন্ডি জিগাতলা কাউন্টার থেকে

জীবন্ত সেতুর দেশে

বর্ষার মৌসুম। সন্ধ্যা হতেই সুড়সুড় করে ঘরে ঢুকে পড়ছে লোকজন। সারারাত ঝমঝম বৃষ্টি হবে। চরম আর্দ্রতার কারণে কাপড়ে জমেছে চিতি-গন্ধ, রান্নাঘরে গলছে লবণ আর খাটপালং আসবাব খুলে যাবে বলে আটকে রাখতে হচ্ছে পেরেক ঠুকে ঠুকে। সকালে কিন্তু বৃষ্টি নেই। এ এক আজব দেশ, রাতে বৃষ্টি দিনে ফটফটে। সাত সকালে কমলার বাগানে, পানের

১৫০০ টাকায়ে বাগেরহাট ভ্রমন

মাত্র একদিনে ঘুরে আসতে পারেন বাগেরহাট। আনুমানিক খরচ : 1500/= . স্পট: সুন্দরবনের করমজল ইকো পার্ক, মংলা সমুদ্র বন্দর, ষাট গম্বুজ মসজিদ, সিঙ্গাইর মসজিদ, খান জাহান আলীর মাজার। . খরচ ও শিডিউল: সন্ধ্যায় (6 টা থেকে 7টার মধ্যে) সায়েদাবাদ বাস কাউন্টার থেকে সরাসরি মংলা যাত্রা (সুন্দরবন বা পর্যটক বাস, ভাল বাস নেই)।

অনিন্দ সৌন্দর্যের অধিকারীনী সাজেক

গত ২ টা দিন সাজেক তার সৌন্দর্যের কি দেখায়নি আমাদের? সাজেকের নয়ানাভিরাম রাস্তা,কংলাক পাহাড় থেকে সন্ধ্যার সূর্যাস্ত,নিচের বিশাল পাহাড়,রাতের আকাশে লক্ষ লক্ষ তারা,মাঝরাতে আলোকোজ্জ্বল জোসনা,নিস্তব্ধ পাহাড়ের আড়াল থেকে হাজারো পোকামাকড়ের অজানা সব শব্দ, সকালের সূর্যোদয় আর ভোর থেকে নিচের পাহাড়ে মেঘের সমুদ্র, ভুল নয়, আসলেই মেঘের সমুদ্র, এ এক অসাধারন দৃশ্য। ওই

সৈকতে ক্যাম্পিং

গত ১৬ই নভেম্বর তুমুল ঝড়ো বাতাস আর গুড়িগুড়ি বৃষ্টির মাঝেই নিলাচলের ক্যাম্পিং সারলাম। বৃষ্টি ভেজা সলিং রাস্তা ধরে নিলাচলের একদম উপরে মোটরবাইকগুলো উঠাতে বেশ বেগই পেতে হয়েছিল আমাদের। তারপরেও ক্যাম্পিং এর আমেজ যেন বৃষ্টির মধ্যে ঢাকা থেকে প্রায় সাড়ে তিনশো কিমি চালিয়ে যাবার ধকল নিমিষেই ভুলিয়ে দিলো। পরেরদিনের(১৭.১১.২০১৭) ক্যাম্পসাইট ছিলো আরো আকর্ষণীয়...

মেঘের দেশ নাকি মেঘের সমুদ্র!

মেঘের দেশ,মেঘের সমুদ্র কিংবা স্বর্গ যে কোন নামে "সাজেক"কে সম্বোধন করতে পারবেন।সাজেকের সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে আপনাকে ১ রাত সাজেকে থাকতে হবে। . চট্টগ্রাম থেকে সাজেকে কম খরচে কিভাবে যাবেন,কোথায় খাবেন,কোথায় থাকবেন,কোন সময়ে কোন ভিউটা ভালো দেখতে পাবেন সে সব নিয়ে সাজেক ভ্রমনের অভিজ্ঞতা থেকে সবকিছু শেয়ার করছি।আশা করি কাজে দিবে। .

ধুপপানি ঝর্না

ঘুরে আসলাম কাপ্তাই এর বিলাইছড়ি উপজেলার ধুপপানি ঝর্না থেকে। ধুপপানি ঝর্নার বিশালতার কাছে ক্ষনিকের জন্যে হলেও আপনার নিজেকে তুচ্ছ মনে হবে... যেভাবে যাবেন:- ঢাকা -কাপ্তাই বাসে করে, তারপর কাপ্তাই জেটি ঘাট থেকে বোট রিজার্ভ করে উলুছড়ি, সময় লাগবে ৪-৪:৩০ ঘন্টার মত। সাথে করে অবশ্যই সবাই NID নিয়ে যাবেন, আর্মি চেক পোস্টে আছে!