মহামায়ায় কায়াকিং:

কায়াকিং বহি:বিশ্বে জনপ্রিয় এডভেঞ্চারের স্পোর্টসের নাম।আমাদের দেশে এর ধারনা সম্পূর্ণ নতুন।আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় কৃত্রিম লেক কাপ্তাইয়ে সর্বপ্রথম কায়াকিং শুরু হয়। খুব দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে জলে ভেসে বেড়ানোর রোমাঞ্চকর এই স্পোর্টসটি। চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের মহামায়া লেক যেন এক মায়াজাল।একবার যিনি যাবেন বার বার যেতে চাইবেন। নৈসর্গিক সৌন্দর্যের এক অপূর্ব লীলা ভূমি পুরো

খৈয়াছড়া ঝর্ণা

এর অবস্থান চট্টগ্রাম এর মিরসরাই তে। কিছুদিন আগেও এই ঝর্ণার তেমন পরিচিতি না থাকলেও, এইই ঝর্ণার বিশালতা ও সৌন্দর্যের কারনে এর সুনাম ছরিয়ে গেছে সারা দেশজুড়ে। রিতিমত এটি পর্যটনকেন্দ্র এ পরিনত হয়েছে। তাই তো প্রতিদিন ই ভিড় বাড়চ্ছে খৈয়াছড়ায় যা ঝর্ণাপ্রেমীদের কাছে মোটেও কাম্য নয়। আমি নিজেই ২ বার ছুটে গেছিলাম খৈয়াছড়া

মিশন_চিটাগাং

একদিনে ঘুরে আসুন চিটাগাং এর বিখ্যাত তিনটি জায়গা থেকে, মহামায়া লেক, গুলিয়াখালি সি বীচ, বাশবাড়িয়া সি বীচ। যে ভাবে যাবেন। আমাদের ট্যুর প্লানটা তুলে ধরছি। রাত দশটার গাড়িতে ঢাকা আবদুল্লাহপুরর থেকে উঠি এনা পরিবহন করে ফেনী জেলা শহরে আসি রাত ৪:৩০ মিনিট। এনা পরিবহন বাস কান্টারে সকাল ৬ পযন্তত থাকি। ৬ টার

কিয়দাংশ অনুভুতি লাভের জন্য যেতে পারেন মহামায়া লেকে

স্থান: মহামায়া লেক সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ এর মাঝে অনেকেরই ইচ্ছা হয় জাহাজ বা নৌকা ভাসিয়ে হারিয়ে যেতে। কিন্তু বাস্তবে তা সবার জন্য সম্ভবপর হয়ে ওঠে না।তাও তার কিয়দাংশ অনুভুতি লাভের জন্য যেতে পারেন মহামায়া লেকে কায়াকিং করার জন্য। যাতায়াত: চট্টগ্রাম/ঢাকা থেকে বাসে করে মিরসরাই, ঠাকুরদিঘী বাজার নামবেন, একটু সামনে গেলে মহামায়ার গেট

চরম মায়াময় মহামায়া লেক

যেভাবে যাবেন : -ঢাকা-চিটাগণ রোডে মিরসরাইয়ের আগে এই লেকটির অবস্থান যারা সময় সুযোগের অভাবে বগা লেকে যেতে পারেন নাই তারা খুব সহজেই এই লেকটি দেখে আস্তে পারেন......... এটি বগার চাইতে আয়তনে অনেক বড় এবং বগার মতই পাহাড়ি লেক তবে পার্থক্য হচ্ছে বগা পরিপূর্ণ প্রাকৃতিক লেক......... বিঃদ্রঃ গ্রুপে ইন্ডিয়া এর বিশেষ করে কাশ্মীর,

খৈইয়াছড়া ঝর্না।

ঢাকা থেকে HIACE গাড়ি নিয়ে রাত 5:00 am. যাত্রা শুরু করছিলাম আমরা 12 জন। চট্টগ্রামের মিরসরাই এর বড়তাকিয়া বাস স্ট্যান্ড এর একটু আগেই হাতের বাম দিকের রোড খৈইয়াছড়া ঝর্না। ঐ রোড ধরে দুই কিলো গাড়ি / সিএনজি নিয়ে যাওয়া যায়। তারপর ওখান থেকে আরো দুই কিলো পথ হাটলেই আপনি চলে যাবেন প্রকৃতির